বর্তমানে ইন্টারনেট নেই এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুস্কর। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশের এক পান্তে থেকে অন্য পান্তে খবরাখবর পৌঁছে যাচ্ছে মুহূতে,ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি, শহর থেকে শহরে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ আবার তাদের ব্যবসার বিস্তৃতি বড় করছে। অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে, সোশাল মিডিয়া, পণ্য দেখা, ক্রয় বিক্রয় সবকিন্তু এখন হাতের মুটোয়। ইন্টারনেটের একটা বড় অংশ হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। আজকে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
ডিজিটাল মার্কেটিং হলো অনলাইন ভিত্তিক পণ্য ক্রয় বিক্রয়, পণ্যের বিঙ্গাপন, অনলাইন সেবা, অথ্যাৎ ডিজিটাল প্রমুক্তির মাধ্যমে পণ্য ক্রয়বিক্রয় প্রচার ইতাদি। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটামাইজেশন,সোশাল মিডিয়া মাকের্টিং, ইমেইল-সেবা, কনটেন্ট মার্কেটিং ও পন্য প্রচারণা।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে একটি পন্য টার্গেট কাস্টমারের কাছে খুব কম সময়ে পৌঁছানো যায় আবার সেই সাথে খরচও কম হয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং মূল্য লক্ষ্য:
- প্রচারণা: ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচারনার মাধ্যম সাধারণত ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, সোশাল মিডিয়া।
- মূল উদেশ্য: কম সময়ের মধ্যে পন্যটি গ্রাহকের কাছে পণ্যের অথ্যসহ পৌঁছে দেওয়া।
- কীভাবে প্রচারণা বাড়াবেন: পণ্যের অধিক প্রচারনার জন্য বিভিন্ন উপায় আছে যেমন:
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
- সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং (Facebook, Google)
- পেইড বিজ্ঞাপন
- সুবিধাঃ কম সময়ে ও কম খরচে পণ্যের অধিক বিক্রি ও পণ্যের তথ্য নিদিষ্ট গ্রাহকের কাঝে পৌছানো।
মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং:
মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্য কিছু দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু বোঝায়। মোবাইলের মাধ্যাম যেমন: সোশাল মিডিয়া, এসএমএস বার্তা,ফেসবুক পেজে, ইনস্ট্রাগ্রাম ইতাদি দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং। মোবাইলের মাধ্যম আপনার পন্য বেশি মানুষের কাছে পৌছাবে। কারণ বর্তমানে বিশ্বে বেশিভাগই মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে।
মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মাকের্টিং কিভাবে শুরু করবো?
সোশাল মিডিয়া ব্যবহার:
ফ্রেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার (X) ব্যবহার করে পণ্যের প্রচারনা বৃদ্ধি।
এসএমএস:
মোবাইলে ক্ষুদ্রে বার্তা প্রেরণের মাধ্যমে ব্যবসার প্রচারণা বৃদ্ধি করা যায়।
ওয়েবসাইট বা ব্লগঃ একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে তাতে ব্লগ লিখেও প্রচারনা করা যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন